This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, December 25, 2016

হার ক্ষয়কারী খাদ্য উপাদান

হার ক্ষয়কারী খাদ্য উপাদান
দেহের কাঠামো গঠিত হয় অস্থি বা কংকাল দিয়ে যা বহন করে সমগ্র মানবশরীরকে হাড়ের রোগগুলোর মাঝে অস্টিওপোরোসিস বর্তমানে সব থেকে বেশি দেখা যায় যার কারনে ক্ষয়ে যেতে থাকে হাড়ের দৃঢ় গঠন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো হাড় ক্ষয়ে সহায়তা করে আবার কিছু খাবার সাহায্য করে গঠনে আমাদের আজকের আলোচনায় শুধুমাত্র খাদ্যের ভূমিকা নিয়ে কথা বলবো হাড়ের দৃঢ় গঠনে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, ফসফরাস অনেক গুরুত্বপূর্ণ এগুলোর পরিমাণে হেরফের হলে ফলাফল হিসেবে আসে ভঙ্গুর অস্থি প্রথমে বলতে হয় অতিরিক্ত লবণ গ্রহনের কথা রান্না খাবার ছাড়া আর কোন ভাবে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া চলবে না চিপস, বিভিন্ন ফাস্ট ফুড, কাচা খাবারে বা সালাদে মেশানো লবণ খুব খারাপ এগুলো বন্ধ করুন লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড দেহ থেকে ক্যালসিয়াম বের করে দিয়ে হাড়কে করে ফেলে দুর্বল তরুণ তরুণীদের পছন্দের জিনিস সফট ড্রিঙ্কস যেগুলো সুপ্তভাবে হাড়কে ক্ষয় করে যাচ্ছে এসব ড্রিঙ্কসে রয়েছে ফসফরিক এসিড যা মূত্রের মাধ্যমে ক্যালসিয়াম কে বের করে দেয়, ফলাফলঃ অস্থি ক্ষয় তৃতীয় বিপদ ক্যাফিন যা আমরা পাই চা বা কফি থেকে চা বা কফি পান মোটেও অপকারী কিছু নয় কিন্তু মাত্রা রাখতে হবে কফি পানে দৈনিক বড় জোর এক বা দুই কাপ, এর বেশি নয় চা তুলনামুলক কম ক্যাফিন ধারন করে, তাই চা পানে তেমন সমস্যা নেই মাংস খেতে ভালো লাগে? রসনায় দিন লাগাম অতিরিক্ত মাংস মানে অতিরিক্ত প্রোটিন আর এই প্রোটিন দেহে তৈরি করে অতিরিক্ত এসিড যাকে নিস্ক্রিয় করতে শরীর ক্যালসিয়ামকে বিসর্জন দেয় অতিরিক্ত চিনি যুক্ত খাবার বা পানীয় থেকে দূরে থাকুন পরিহার করুন মদ্যপান মদ ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা দেয় বর্জন করুন এমন সব খাবার যেগুলো অতিরিক্ত চর্বি যুক্ত, প্রাণীজ চর্বি একদম মানা এবার জানবো অস্থি সুরক্ষায় নিয়োজিত খাবার সম্পর্কেঃ দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার যেমনঃ দই দুধে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি যাদের উভয়েই মজবুত হাড়ের জন্য দরকার তবে দুধ থেকে সর তোলা থাকলে ভালো গ্রহণ করুন এমন সব সবজি যেগুলো ক্যালসিয়ামে পরিপূর্ন সবজির মাঝে পালং শাক,টমেটো, ব্রুকোলি, কাঠবাদাম, মিস্টি আলু, মিস্টি কুমড়া সহ সবুজ পাতাওয়ালা অন্যান্য সবজী ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস গ্রহণ করুন তাজা যেকোনো ফল সয়াবিন জাত খাবারের মাঝেও রয়েছে বেশ ভালো পরিমাণে ক্যালসিয়াম ছোট মাছ খেলে কাটা সহ চিবিয়ে খান গরু খাসির নেহারী খেতে পারেন নরম হাড় চিবিয়ে খেয়ে ফেলুন, কাজে দেবে মাছের তেলে পাবেন ভিটামিন ডি অনেকে শুঁটকি মাছ পছন্দ করেন দেখা গেছে শুঁটকিতে কালসিয়াম ও ভিটামিন ডি এর পরিমাণ তুলনামুলক বেশি উন্নত বিশ্বে খাবারের সাথে সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ক্যালসিয়াম যুক্ত করা হয় যদিও আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এসব খাবার নিয়ে আলোচনা না করাই বুদ্ধিমানের কাজ অস্থি বা হাড় গঠনে রয়েছে আরো নানান সব পদ্ধতি তবে খেতে বসে একটু চিন্তা করে খেলেই যদি আমরা এসব কৃত্রিম পন্থা থেকে অনেকটা দূরে থাকতে পারি তবে সেটাই কি ভালো নয়?


বুক জ্বালা ও এসিডিটি হলে কি করবেন।

বুক জ্বালা ও এসিডিটি হলে কি করবেন।

সাইট্রাস বা লেবু জাতীয় ফলের বিশেষ দুর্নাম রয়েছে বুকজ্বালার পেছনে খালি পেটে সরাসরি টক কিছু খুব একটা বেশি খাওয়া ঠিক হবে না লেবুতে রয়েছে এসিড যা পাকস্থলির এসিডের সাথে মিলে এসিডিটির কস্ট বাড়িয়ে দেবে বাঙালীরা এমনিতেই মশলা যুক্ত খাবার পছন্দ করি এসিডিটির হাত থেকে বাঁচতে না হয় পেয়াজ, রসুন, মরিচ বা গোল মরিচ একটু কমই খাই এসব মশলা বুক জ্বালা বাড়ানোর মহৌষধ! টমেটোকে হয়তো বেশীরভাগ মানুষই নিরাপদ বলে মনে করবো কিন্তু দেখা গেছে টমেটো সস বা অধিক টমেটো সহকারে রান্না খাবারে বুক জ্বালা বাড়তে পারে আমিষের মাঝে অল্প চর্বি যুক্ত খাবারই উত্তম মাছ খেতে পারেন ইচ্ছামতো মুরগী বেছে নিতে পারেন সমস্যা সেই গরু-খাসিতে এগুলোর ব্যাপারে সতর্ক হোন মিস্টি পছন্দ? চকোলেট খেতে ভালবাসেন? সতর্ক হতে হবে এর ব্যাপারে চকোলেটেরও রয়েছে বদনাম এসিডিটির পেছনে খেতে হবে কম করে একবারে বেশি করে খেলে এসিডিটির প্রকোপ বাড়ে রাতে ঘুমাতে যাবার বেশ কয়েক ঘন্টা আগেই সেরে ফেলুন নৈশভোজ না হলে ঘুমের মাঝে বুক জ্বালা করতে পারে কফি; শক্তি জোগাতে যার জুড়ি নেই সাবধান থাকতে হবে কফির ক্ষেত্রেও দিনে এক বা দুকাপ কফিতে মানা নেই তবে এর বেশি পান করলে এসিডিটি আপনাকে নাও ছাড়তে পারে কার্বোনেটেড বেভারেজ বা কোল্ড ড্রিঙ্ক, খুবই খারাপ পানীয় বুক জ্বালাপোড়া করার পেছনে অতিরিক্ত কোল্ড ড্রিঙ্কস পানের অবদান অনেক খুব কম বাংলাদেশিই মদ পান করেন যারা করে থাকেন তারা মনে রাখবেন মদ পানে এসিডিটি বাড়ে জেনে নেবো এসিডিটির হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজনীয় বন্ধু খাবারের নামঃ সকালের নাস্তায় রাখতে পারেন চিড়া, দই, ওটমিল ফল খেতে পারেন পাকা কলা, ফুটি বা বাঙ্গি চিড়া, মুড়ি এগুলোরও রয়েছে এসিড শুষে নেওয়ার ভালো ক্ষমতা তেল, ভাজি পোড়া যত পারুন কম খান বাইরের সুস্বাদু খাবার দেখলেই খেতে চাওয়ার ইচ্ছা সামলাতে হবে আমিষের মাঝে ডিম বা মাছে কোন সমস্যা নেই মুরগী নিয়েও কোন আপত্তি করেন না ডাক্তাররা গরু-খাসী খেতে হলে যথাসম্ভব তেল বাদ দিয়ে রান্না করতে হবে সালাদ যদি হয় টমেটো বা পিয়াজ ছাড়া তবে খেতে পারেন যত খুশি ভেষজ উদ্ভিদ ঘৃতকুমারী আমাদের খুব পরিচিত একটি নাম ঘৃতকুমারীর শরবতের সুনাম রয়েছে বুকের জ্বালা পোড়া কমাতে পানীয়ের মাঝে নিতে পারেন লেবু বা কমলা ছাড়া আপেল জুস, ম্যাঙ্গো জুস, বেরি জুস কোল্ড ড্রিঙ্কস বাদ দিয়ে পান করুন পানি বা হারবাল চা ফুলকপি, পাতাকপি, আলু, ব্রুকলি, শালগম, লাউ, কুমড়া, সবুজ বিভিন্ন শাক প্রভৃতি সবুজ সবজি খেতে পারেন নির্দ্বিধায় দুধে সমস্যা না থাকলেও দুগ্ধজাত মাখন, ঘি নিয়ে ঝামেলা আছে মাখন, ঘি, পনির খেলে হিসাব রেখে খাবেন খুব সাধারণ প্রতিদিনের সমস্যা এই এসিডিটি বা বুক জ্বালা খাবার গ্রহনে একটু সচেতন হলেই আমরা পারি অনেকটা মুক্ত থাকতে এই সমস্যা থেকে নিজেকেই খেয়াল করতে হবে কোন বিশেষ খাবারে বুক জ্বালা বাড়ছে, সেসব খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে যখন তখন এন্টাসিড চোষার প্রয়োজন ও তেমন একটা পড়বে না আর


মাথা ব্যথা দূর করার উপায়।

মাথা ব্যথা দূর করার উপায়।

ঘাড়ের উপর মাথা থাকলে ব্যথাতো হতেই পারে আর একটু আধটু ব্যথার জন্য নিজে নিজে ওষুধ খেয়ে ফেলাটাও কোন কাজের কথা না আগে থেকে কিছুটা সতর্ক হলে মাথা ব্যথার মতো ঝামেলা এড়ানো যায় কিন্তু সহজেই

মাছের তেলে
মাছ খেতে হবে প্রতি বেলায় পুষ্টির চাহিদা তো মিটবেই মাথা ব্যথা প্রতিরোধেও কার্যকর মাছ মাছের তেলে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এটিই মূলত মাথা ব্যথার বিরুদ্ধে কাজ করে মাছের তেলের ক্যাপসুল পাওয়া যায় বাজারে চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়ম করে খেতে পারেন ক্যাপসুলটি

আপেলে
রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই যারা মাথা ব্যথায় ভোগেন তাদের সমাধান আপেলে আপেলের বাইরের আস্তরন ফেলে সামান্য লবণ মিশিয়ে খেতে হবে সকালে খালি পেটে এভাবে চলবে টানা দুই সপ্তাহ

আদা
আদার উপাদানগুলো থ্রম্বোক্সিনকে কাজে লাগিয়ে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে যেটা মাইগ্রেইনের ব্যথা প্রতিরোধে খুব কার্যকর এ ছাড়া আদায় বমিভাব দূর হয়, দূর হয় মাথা ব্যথা

বসার ভঙ্গিতে
দেহকে বাকিয়ে বা হেলে দীর্ঘক্ষণ বসলে স্নায়ুকোষ উদ্দীপ্ত হয় এ থেকে তৈরি হতে পারে মাথা ব্যথার মতো অনাবশ্যক সব রোগ তাই বসতে হবে সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে আরও সোজা হয়ে


দীঘ ক্ষন চেয়ারে বসে থাকেন?

দীঘ ক্ষন চেয়ারে বসে থাকেন?


জীবন জিবিকার প্রয়জনে আমাদের অনেক কেই অফিস বা ব্যাবসা ক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থাকতে হয় এই চেয়ারে বসে থাকার দরুন আমাদের ভুগতে হয় অনেক সমস্যায় তার মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর ও দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা হল কোমর ব্যাথা ও ঘাড়ে ব্যাথা ডেস্ক জব করেন, কিন্তু কোমর বা ঘাড়ে ব্যাথা হয়নি এমন মানুষ খুজে পাওয়া দুষ্কর অনেকের জন্য এটা একটা অভিশাপের মত হয়ে দেখা দেয়, কারন, এই সমস্যার জন্য অনেকে পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হন আজকে আমরা আলোচনা করব, এই ধরনের বসে থাকার জন্য যে কোমর বা ঘাড়ে ব্যাথা হয়, তার কারন, প্রথম ক্ষেত্রেই যাতে এটা না আসে তা কিভাবে নিশ্চিত করা যায় এবং পরিশেষে ব্যাথা যদি চলেই আসে তাহলে এর প্রতিকার নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই আমরা যখন চেয়ারে বসি তখন আমরা কিছুটা সামনের দিকে ঝুঁকে বসি আমাদের কোমরের যে মেরুদণ্ড আছে, তা কিন্তু সরল রেখার মত সমান বা সোজা নয় মেরুদণ্ড অনেক গুল ছোট হাড়ের সমন্নয়ে তৈরি এই হাড় গুলর মাঝখানে আবার রয়েছে নরম জেলির মত ডিস্ক যা হাড় গুলর মধ্যে ঝাঁকুনি প্রতিহত করে ও পুরো মেরুদণ্ড কে ফ্লেক্সিবল করে আমরা যখন দীর্ঘক্ষণ সামনের দিকে ঝুঁকে বসে তাকি, তখন আমাদের মেরুদণ্ডের এই ডিস্ক গুল তে অনেক চাপ পরে, সেই সাথে চাপ পরে মেরুদণ্ডের আসে পাশের মাংশ পেশি ও লিগামেন্ট এর উপর ডিস্ক গুল যেহেতু নরম, তারা এই অস্বাভাবিক চাপ এর দরুন আস্তে আস্তে স্ফিত হয়ে মেরুদণ্ডের ভেতর থেকে শরীরের বিভিন্ন দিকে যে নার্ভ গুল চলে যাই, তাদের গায়ে চাপ দেয় এর কারনে আমরা ব্যাথা অনুভব করি এই চাপের তারতম্য বা তীব্রতার ওপর ব্যাথার ধরন নির্ভর করে চাপ যত বেশি হবে, ব্যাথার তীব্রতা ও তত বেশি হবে, সেই সাথে কোমর থেকে ব্যাথা তত দূরে ছড়িয়ে পরবে অনেক সময় এই ব্যাথা পায়ে ও অনুভূত হতে পারে এখন এই ধরনের ব্যথা থেকে নিজেকে কিভাবে রক্ষা করবেন তা নিয়ে আলোচনা করব উন্নত দেশ গুল তে প্রতিষ্ঠানগুলো তার কর্মী দের এ ধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা করার জন্য বিশেষ ধরনের অ্যাডজাস্টেবল চেয়ার বেবস্থা করে থাকে, যা মেরুদণ্ডের আকৃতি ঠিক রেখে বসতে সাহায্য করে তবে বাংলাদেশে এই গুল সহজ লভ্য নয়, অথবা প্রতিষ্ঠান গুল এই ব্যয় বহন করতে সমর্থ নয় তবে সাধারন চেয়ারে কিছু বিশেষ ধরনের কুশন ব্যাবহার করে মেরুদণ্ড কে সোজা রেখে কোমর ও ঘাড় ব্যাথা থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে এ ছাড়া ও চেয়ার টি যতোটা সম্ভব নিচের ছবির মত করে সেট করে নিলে অনেক সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে এখন আলোচনা করব, যাদের কোমর অতবা ঘাড়ে ব্যাথা চলে এসেছে তারা কি করবেন প্রথম কথা হল, কোন ভাবেই সামনে ঝুঁকে বসা যাবে না সামনে ঝুকা বন্ধ করতে চাইলে ও অনেক সময় কাজের চাপে আমাদের মনে থাকে না সোজা হয়ে বসার কথা এর জন্য আমরা একটি বিশেষ কুশন চেয়ারের সাথে ব্যাবহার করতে পারি এগুলকে বলা হয় লাম্বার রোল নিচের ছবর মত করে এগুল ব্যাবহার করলে আপনার কোমর পানা থেকেই সোজা থাকবে আপনি যখনি সামনে ঝুঁকে বসতে চাইবেন, এই লাম্বার রোল আপ্নাকে বাধা দিবে চেষ্টা করবেন ২-৩ ঘণ্টা বসে কাজ করার পর ১০-১৫ মিনিট এর জন্য হালকা হাটা ছলা করে নিতে অনেক সময় ব্যাথা বেশি হয়ে গেলে আপনাকে ফিজিওথেরাপিস্ট এর সরনাপন্ন হতে হবে তিনি আপনার সমস্যা এর কারন ও ধরন দেখে আপনাকে বিভিন্ন থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ (সাধারন এক্সারসাইজ নয়) দেবেন, যাতে আপনার মেরুদণ্ডের ডিস্ক গুল আগের জায়গায় ফিরে আসে প্রয়োজন হলে মেরুদণ্ডের হাড়ে বিশেষ ধরনের ম্যানিপুলেশন (হাই ভেলসিটি, লো-আমপ্লিচ্যুড থ্রাস্ট) এর মাধ্যমে ডিস্ক গুলকে পূর্বের অবস্থানে নিয়ে আসা হয়, তবে এর জন্য ম্যানিপুলেটিভ ফিজিওথেরাপিতে দক্ষ একজন এর কাছ থেকেই এটা গ্রহন করতে হবে শেষ কথা হচ্ছে, বেশিদিন কর্মক্ষম থাকে হলে আমাদের অবশ্যই সামনে ঝুঁকে বসে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে সবসময় কোমরের স্বাভাবিক বক্রতা বজায় রেখে বসতে হবে প্রয়জনে লাম্বার রোল ব্যাবহার করতে হবে যাতে ব্যাথার উতপত্তিই না হয়


চোখের নিচের কালো দূর করার উপায়

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করার উপায়
১. ফ্রিজে বরফের কিউব পাত্রে সাধারণ পানিতে গোলাপ মিশিয়ে জমতে দিন দিনের শেষে ঘুমানোর আগে একটুকরো বরফ একটি রুমালে পেঁচিয়ে চোখের চারি দিকে ঘষুন আপনি গ্রিন টি লিকারও ব্যবহার করতে পারেন পানির বদলে এটি আপনার চোখের কালো দাগ দূর করতেই সাহায্য করবে না বরং চোখের ক্লান্তিও দূর করবে

২. দুটি পরিষ্কার তুলো নিন, গোলাপ জলে তা ভিজিয়ে নিন এবার দুই চোখের উপরে তুলো দিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন ১০ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন

৩. বাদাম তেল অল্প করে নিয়ে চোখের চার দিকে ম্যাসেজ করুন, নিয়মিত ভাবে এটি দিনে একবার করলে কালো দাগ হালকা হবে

৪. ৭-৮ ঘন্টা অবশ্যই ঘুমাতে হবে ঘুম ঠিক মত না হবার জন্যও কিন্তু আমাদের চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে

৫. কিছু আলু কেটে থেতলে নিন আলুর রস টুকু নিংড়ে নিন একটি পাত্রে তুলো ভিজিয়ে নিন আলুর রসে এবং তা চোখে হালকা চেপে শুয়ে থাকুন ১০ মিনিট ১০ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন

৬. প্রচুর পানি পান করতে হবে আপনারা যারাই রূপচর্চা সম্পর্কে পড়ে থাকেন, তারা দেখে থাকবেন বার বার পানি বেশি করে পান করতে বলা হয় পানি বেশি করে পান করা শুধু আমাদের রুপচর্চারই অংশ নয় বরং আমাদের সুস্থ থাকার একটা উপায় এখন অনেক গরম পরেছে তাই বেশি করে পানি পান করুন আর সুস্থ থাকুন

৭. শশার পাতলা পাতলা টুকরা করুন চোখের উপরে দিন, ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন আজকাল কম বেশি সবাই গ্রিন টি পান করে থাকেন এ টি ব্যাগ গুলো ফেলে না দিয়ে চোখের উপরে দিয়ে রাখতে পারেন এটি আমাদের চোখের নিচে ফোলা ভাব কমায় এবং চোখের নিচের চামড়া টান টান করে যার ফলে বয়সের বলিরেখা কমে যায়