This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, January 26, 2017

একা থাকা অবস্থায় হার্ট এ্যাটাক হলে নিজেকে রক্ষা করবেন কিভাবে?

একা থাকা অবস্থায় হার্ট এ্যাটাক হলে নিজেকে রক্ষা করবেন কিভাবে?

হার্ট এ্যাটাক একটি জিবন হরনকারি ঘটনা। অধিকাংশ সময়'ই হার্ট এ্যাটাক এর সময় কাছে পিঠে কেউ না থাকলে মৃত্যু অবধারিত। তবে নিচে বর্ণিত পদ্ধতিটি অবলস্বন করে আপনি নিজেকে হার্ট এ্যাটাক এর সময় অজ্ঞান হবার হাত থেকে বাচাতে পারেন এমনকি নিজের জন্য সাহায্যের ব্যবস্থা করতে পারেন। আপনার যদি হার্ট এর সমস্যা থাকে, তবে মানসিক ভাবে সব সময় প্রস্তুত থাকুন যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলার।

যদি বুঝতেপারেন আপনার হার্ট এ্যাটাক হচ্ছে বা হার্ট ঠিক মত কাজ করছে না বা নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে, তবে বুঝতে হবে আপনার হাতে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় আছে। এখন বড় করে একটি নিঃশ্বাস নিন (বাতাস ফুস ফুসের গভীর পর্যন্ত ঢুকান), এবার খুব জোরে একটি কাশি দিন (যেভাবে বেশি ঠান্ডা লাগলে ক্বফ বেরকরার জন্য মানুষ কাশি দেয়)। এভাবে প্রতি ২ সেকেন্ডে একটি করে বড় নিঃশ্বাস নিন এবং জোরে কাশি দিন সর্ব শক্তি দিয়ে। এভাবে সাহায্য না আসা পর্যন্ত বা হার্ট স্বাভাবিক বিট না দেয়া পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে। বড় নিঃশ্বাস এর ফলে ফুসফুসে প্রচূর অক্সিজেন যাবে এবং জোরে কাশি দেয়ার ফলে হার্ট এর উপর চাপ পড়বে যা একে রক্ত পাম্প করে যেতে বাধ্য করবে। হার্টের উপর এ চাপ এর স্বাভাবিক স্পন্দন ফিরে পেতে সাহায্য করবে। এই পধ্যতি অবলম্বন করে একা থাকা অবস্থায় হার্ট এ্যাটাক হলে একজনের জিবন রক্ষা হতে পারে। এটি প্রাকটিস করে রাখুন যাতে প্রয়জনের সময় কাজে লাগে। সেই সাথে নিচের লিংক গুলোতে ক্লিক করে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন যাতে তারা ও জেনে রাখতে পারে।

দ্রুত পেটের মেদ কমাবেন

দ্রুত পেটের মেদ কমাবেন?

পেটের মেদ সাধারনত শরীরের অন্য কোন অংশের মেদের চেয়ে একটু আলাদা। শরীরের অন্য অংশের মেদ সাধারনত চামড়ার নিচে জমে থাকে। তবে পেটের মেদ লিভার, কিডনি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের সাথে লেগে জমে থাকে, যা অনেক সময় প্রান ঘাতি হয়ে দেখা দিতে পারে। পেটের মেদ এর সাথে হার্ট এর সমস্যা থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস ও অন্যান্য সমস্যা এর জোরাল সম্পর্ক খুজে পাওয়া যায়।



আমরা অনেকেই পেট এর মেদ কমানোর জন্য বেলি স্ট্রোক অর্থাৎ পেটের মাংশ পেশি এর ব্যায়াম করে থাকি। এর ফলে পেটের মাংশ পেশি এর টোন বা আকৃতি সুন্দর হলে ও পেটের মেদ কমাতে তা খুব একটা কাজে দেয় না। পেটের মেদ কমাতে হলে প্রয়োজন পুরো শারীরিক ব্যায়াম। মনে রাখবেন, ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট হাল্কা জগিং বা জোরে হাটার পর রক্তে চলমান ফ্যাট শেষ হয়ে দেহে সঞ্চিত ফ্যাট ভাংতে থাকে। তাই এই ৪০ বা ৪৫ মিনিটের পর আপনি যদি ১০ বা ১৫ মিনিট ও জগিং বা জোরে হাঁটতে পারেন, তাহলেই প্রতিদিন একটু একটু করে আপনার জমান চর্বি কমতে থাকবে।

মনে রাখা প্রয়োজন, প্রথম দিন ই ৪০-৪৫ মিনিট জগিং শুরু করবেন না। এর ফলে আপনার শরীরে ব্যথা এসে যেতে পারে, ফলে আপনি পরবর্তীতে ব্যায়াম করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন। তাই প্রথম দিন ১০ মিনিট, পরের দিন ২০ মিনিট এভাবে সময় বাড়ান এবং ১ ঘণ্টা তে স্থির থাকুন। মনে রাখবেন, অতি দ্রুত ওজন কমানো গেলেও এতে হিতে বিপরিত হতে পারে। ওজন কমানোর মুল মন্ত্র হল মটিভেসন ও একাগ্রতা। এখন বলে রাখি, শুধু ব্যায়াম করলেই অনেক সময় মেদ কমে না, এর জন্য আপনাকে খাবার গ্রহনে সতর্ক হতে হবে। খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ জাতিও খাদ্য যেমন শাক সবজি রাখুন। চর্বি জাতিয় খাবার কম খান। ফাস্ট ফুড খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এটা তো বললাম জমান চর্বি কমানোর কথা। এখন বলব, যাদের পেটে তেমন মেদ নেই তবে ধিরে ধিরে বেড়ে যাচ্ছে তারা কি করবেন। সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রতি রাতে ঘুমাতে যাবার আগে যদি একজন বেক্তি মাত্র ১০ মিনিট আস্তে আস্তে হাঁটেন, তবে তার দেহে যে হরমন ও আঞ্জায়েম নিস্রিত হয়, তাতে সারা দিনে খাবারের সাথে গ্রহন করা সমস্ত অতিরিক্ত চর্বি রক্ত থেকে পরিস্রুত হয়ে যায় এবং দেহে জমতে পারে না। কেবল এই ১০ মিনিট হাটার কারনে যে পরিমান চর্বি জমতে বাধা পায়, তা যদি আমরা ব্যায়াম এর মাধ্যমে কমাতে চাইতাম, তার জন্য আমাদের ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা এক নাগারে জোরে দৌড়াতে হত।

তাই নিয়ম মেনে পরিমিত ব্যায়াম করে গেলে ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করলে পেটের মেদই শুধু নয়, সারা দেহের মেদ এই কমানো সম্ভব।

শক্তিশালী ব্রেইনের জন্য

শক্তিশালী ব্রেইনের জন্য

ব্রেইন আমাদের দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিন্তু কখনো কি আমরা ব্রেইনের যত্ন নেয়ার কথা ভেবেছি!শুধু অভিযোগ করে যাই "আমার মাথা ঠিকমত কাজ করছে না বা আজকাল আমার কিছুই মনে থাকে না!"অন্যান্য অঙ্গের মত ব্রেইনেরও খাবার, পুষ্টি ও এর্নাজী দরকার।টোটাল বডি এর্নাজীর ২০% ব্রেইন ব্যবহার করে। তাই আমাদের দৈনিক খাবার মেনু এমন হওয়া উচিত,যেন তা ব্রেইনের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও এর্নাজী সরবরাহ করতে পারে।

যে খাবারগুলো রাখতে হবে ডায়েট চার্টে:

১.স্বাস্থ্যকর ফ্যাট- যা ব্রেইন গঠন করবে: স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হল ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা ব্রেইনের মেরামত ও নতুন কোষ তৈরীতে সাহায্য করে।এছাড়া এগুলো আপনাকে নতুন কিছু শিখতে আগ্রহী করে এবং মানসিক ভাবে ভাল অনুভব করায়।oleic acid ব্রেইনকে ক্ষীপ্র করে।Olive oil, peanut oil থেকে oleic acid পাওয়া যায়।

২.Antioxidants- যা ব্রেইনকে সুরক্ষা দেয়: খাবারে Antioxidants এর অভাব থাকলে বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্মৃতি শক্তি কমতে থাকে।তাই Antioxidants সমৃদ্ধ খাবারের দিকে নজর দিতে হবে। Antioxidants এর ভাল উৎস হল-সবুজ চা, ব্লুবেরী ও অন্যান্য বেরী জাতীয় ফল, লাল আঙ্গুর, টমেটো,গাজর,রসুন,পালং শাক,whole grains ও সয়া দ্রব্য।

৩.ভিটামিন ও মিনারেলস- ব্রেইনের গঠনকারী ইট: সুনির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন ও মিনারেলস ব্রেইনের গঠনে খুবই প্রয়োজন।ব্রেইনের কাজের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন হল- Vitamins C, B12, and B6। মিনারেলসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল-ক্যালসিয়াম ও আয়রন।এসব ভিটামিন ও মিনারেলস নিয়মিত খেতে হবে।

৪.আশঁ - যা ফুয়েল সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করে: ব্রেইন শুধুমাত্র গ্লুকোজ থেকেই শক্তি নিতে পারে। রক্তে এই গ্লুকোজের সরবরাহ ধীর ও নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে আশঁ জাতীয় খাবার।ভাল পরিমানে আশঁ পাওয়া যাবে :শুষ্ক ফল (কিছমিছ, খেজুর,কালো কিছমিছ), বিভিন্ন রকমের শাক,সবজি,আস্ত ফল (যেমন-আপেল,কমলা,নাসপতি) whole wheat grains (বার্লি, লাল চাল,বিভিন্ন ধরনের whole wheat pastas and cereals)।

৫.পানি- আদ্র রাখবে ব্রেইনকে: সামান্য পানিশূন্যতাও মানসিক শক্তি কমিয়ে দেয় এবং স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব ফেলে। তাই কমপক্ষে ২.৫-৩ লিটার পানি দৈনিক পান করা উচিত।

৬.কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজন: কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার serotonin এর লেভেল ঠিক রাখে।ঘুমের ধরন, মুড,appetite ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্রেইনের কোষ serotonin ব্যবহার করে। এছাড়া অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছাও নিয়ন্ত্রণ করে serotonin। তাই জটিল কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে।

৭.প্রয়োজন নিয়মিত গ্লুকোজ সরবরাহ: আগেই বলেছি,ব্রেইন শুধুমাত্র গ্লুকোজ থেকেই শক্তি নিতে পারে।আর নিয়মিত খাবার গ্রহন না করলে রক্তে গ্লুকোজ লেভেল কমে যায়। এর ফলে মেমোরী লস হতে পারে। তাই দেখা যায় যারা সকালের নাস্তা বাদ দেয় তাদের স্মৃতি শক্তি দূর্বল হয়।খুব তাড়াতাড়ি গ্লুকোজ পাওয়া যাবে আস্ত ফল থেকে, যেমন- আপেল, কমলা, আঙ্গুর ইত্যাদি।

৮.সীম (Fava Beans): সীমে খুব ভাল পরিমানে আছে levodopa , আমাদের ব্রেইন levodopa কে dopamine এ রুপান্তরিত করে। dopamine ব্রেইনের বিশেষ কিছু কাজ (concentration, motivation ও movement) নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন হয়।

৯.Herbs: Herbs খাবারের স্বাদই শুধু বাড়ায় না, আমাদের চিন্তা-ভাবনায়ও বিশেষ প্রভাব ফেলে।Herbs স্মৃতিশক্তি উন্নত করে, মানসিক দক্ষতা বাড়ায়,মনোযগ বাড়ায়,মানসিক সতর্কতা বাড়ায়।

১০.মাছ: প্রোটিন হল neurotransmitters তৈরীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আর neurotransmitters mental performance এর জন্য প্রয়োজন।মাছ হল প্রোটিনের খুবই ভাল উৎস। এছাড়া মাছে আছে essential oils যা ব্রেইনের বর্ধন,সুরক্ষা ও কাজের জন্য প্রয়োজন।

১১.বিভিন্ন রকমের বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার ,ফুলকপি, ব্রোকলী,বাধাকপি ব্রেইনের জন্য খুবই উপকারী। ব্রেইনের যত্ন নিন,পুষ্টি যোগান । ব্রেইনও আপনাকে দরকারের সময় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে। ব্রেইন আমাদের দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিন্তু কখনো কি আমরা ব্রেইনের যত্ন নেয়ার কথা ভেবেছি!শুধু অভিযোগ করে যাই "আমার মাথা ঠিকমত কাজ করছে না বা আজকাল আমার কিছুই মনে থাকে না!"অন্যান্য অঙ্গের মত ব্রেইনেরও খাবার, পুষ্টি ও এর্নাজী দরকার।টোটাল বডি এর্নাজীর ২০% ব্রেইন ব্যবহার করে। তাই আমাদের দৈনিক খাবার মেনু এমন হওয়া উচিত,যেন তা ব্রেইনের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও এর্নাজী সরবরাহ করতে পারে। যে খাবারগুলো রাখতে হবে ডায়েট চার্টে:

১.স্বাস্থ্যকর ফ্যাট- যা ব্রেইন গঠন করবে: স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হল ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা ব্রেইনের মেরামত ও নতুন কোষ তৈরীতে সাহায্য করে।এছাড়া এগুলো আপনাকে নতুন কিছু শিখতে আগ্রহী করে এবং মানসিক ভাবে ভাল অনুভব করায়।oleic acid ব্রেইনকে ক্ষীপ্র করে।Olive oil, peanut oil থেকে oleic acid পাওয়া যায়।

২.Antioxidants- যা ব্রেইনকে সুরক্ষা দেয়: খাবারে Antioxidants এর অভাব থাকলে বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্মৃতি শক্তি কমতে থাকে।তাই Antioxidants সমৃদ্ধ খাবারের দিকে নজর দিতে হবে। Antioxidants এর ভাল উৎস হল-সবুজ চা, ব্লুবেরী ও অন্যান্য বেরী জাতীয় ফল, লাল আঙ্গুর, টমেটো,গাজর,রসুন,পালং শাক,whole grains ও সয়া দ্রব্য।

৩.ভিটামিন ও মিনারেলস- ব্রেইনের গঠনকারী ইট: সুনির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন ও মিনারেলস ব্রেইনের গঠনে খুবই প্রয়োজন।ব্রেইনের কাজের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন হল- Vitamins C, B12, and B6। মিনারেলসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল-ক্যালসিয়াম ও আয়রন।এসব ভিটামিন ও মিনারেলস নিয়মিত খেতে হবে।

৪.আশঁ - যা ফুয়েল সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করে: ব্রেইন শুধুমাত্র গ্লুকোজ থেকেই শক্তি নিতে পারে। রক্তে এই গ্লুকোজের সরবরাহ ধীর ও নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে আশঁ জাতীয় খাবার।ভাল পরিমানে আশঁ পাওয়া যাবে :শুষ্ক ফল (কিছমিছ, খেজুর,কালো কিছমিছ), বিভিন্ন রকমের শাক,সবজি,আস্ত ফল (যেমন-আপেল,কমলা,নাসপতি) whole wheat grains (বার্লি, লাল চাল,বিভিন্ন ধরনের whole wheat pastas and cereals)।

৫.পানি- আদ্র রাখবে ব্রেইনকে: সামান্য পানিশূন্যতাও মানসিক শক্তি কমিয়ে দেয় এবং স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব ফেলে। তাই কমপক্ষে ২.৫-৩ লিটার পানি দৈনিক পান করা উচিত।

৬.কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজন: কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার serotonin এর লেভেল ঠিক রাখে।ঘুমের ধরন, মুড,appetite ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্রেইনের কোষ serotonin ব্যবহার করে। এছাড়া অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছাও নিয়ন্ত্রণ করে serotonin। তাই জটিল কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে।

৭.প্রয়োজন নিয়মিত গ্লুকোজ সরবরাহ: আগেই বলেছি,ব্রেইন শুধুমাত্র গ্লুকোজ থেকেই শক্তি নিতে পারে।আর নিয়মিত খাবার গ্রহন না করলে রক্তে গ্লুকোজ লেভেল কমে যায়। এর ফলে মেমোরী লস হতে পারে। তাই দেখা যায় যারা সকালের নাস্তা বাদ দেয় তাদের স্মৃতি শক্তি দূর্বল হয়।খুব তাড়াতাড়ি গ্লুকোজ পাওয়া যাবে আস্ত ফল থেকে, যেমন- আপেল, কমলা, আঙ্গুর ইত্যাদি।

৮.সীম (Fava Beans): সীমে খুব ভাল পরিমানে আছে levodopa , আমাদের ব্রেইন levodopa কে dopamine এ রুপান্তরিত করে। dopamine ব্রেইনের বিশেষ কিছু কাজ (concentration, motivation ও movement) নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন হয়।

৯.Herbs: Herbs খাবারের স্বাদই শুধু বাড়ায় না, আমাদের চিন্তা-ভাবনায়ও বিশেষ প্রভাব ফেলে।Herbs স্মৃতিশক্তি উন্নত করে, মানসিক দক্ষতা বাড়ায়,মনোযগ বাড়ায়,মানসিক সতর্কতা বাড়ায়।

১০.মাছ: প্রোটিন হল neurotransmitters তৈরীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আর neurotransmitters mental performance এর জন্য প্রয়োজন।মাছ হল প্রোটিনের খুবই ভাল উৎস। এছাড়া মাছে আছে essential oils যা ব্রেইনের বর্ধন,সুরক্ষা ও কাজের জন্য প্রয়োজন।

১১.বিভিন্ন রকমের বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার ,ফুলকপি, ব্রোকলী,বাধাকপি ব্রেইনের জন্য খুবই উপকারী। ব্রেইনের যত্ন নিন,পুষ্টি যোগান । ব্রেইনও আপনাকে দরকারের সময় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে।

হৃদরোগ: রোগী ও পরিবারের সদস্যদের করণীয়

হৃদরোগ রোগী ও পরিবারের সদস্যদের করণীয়

হৃদ রোগ হঠাৎ করেই প্রকাশ পায়।এবং তা যদি পরিবারে প্রথম ঘটনা হয় তবে রোগী ও তার স্বজনরা অনেকটাই ভেঙ্গে পরেন।বুঝতে পারেন না এখন কি করবেন, কিভাবে করবেন! হৃদরোগে আক্রান্ত হলে রোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের জীবনে কিছু পরিবর্তন আসবে ঠিকই, কিন্তু এর মাঝেও যে জীবনকে উপভোগ করা যায় তা বুঝতে হবে এবং রোগীকেও বোঝাতে হবে।

১.রোগের প্রথম ধকল কাটিয়ে কিছুটা সুস্থ হলে আপনার রোগ সর্ম্পকে ধীরে ধীরে কিছু পড়া লেখা করুন। সহজ ভাষায় লেখা এমন বই বেছে নিন।খবরের কাগজ, সাময়ীকি, ব্লগ যেখানে আপনার রোগ সর্ম্পকে লেখা পাবেন,পড়ে দেখুন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে শেয়ার করুন।এটা সব সময় আপনাকে সচেতন থাকতে সাহায্য করবে।

২.আমাদের দেশের মহিলারা নিজের রোগকে কোন গুরুত্বই দেন না। তাই রোগী যদি মহিলা হোন, তবে তার পরিবারের অন্য সদস্যদের উচিৎ তার ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া,তাকে বার বার সচেতনতামূলক তথ্য গুলো মনে করিয়ে দিন।

৩.এখনও আমাদের দেশে খাবার তৈরীর প্রধান দায়িত্ব বাড়ির মহিলাদের উপরই থাকে।তাই বাড়ীর মহিলা সদস্যদের জানতে হবে যে কোন খাবার রোগীর জন্য উপকারী এবং কোন গুলো তার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

৪. পুরুষ রোগীরা ডায়েটিশিয়ানের সাথে আলাপ করার সময় স্ত্রীকে সাথে রাখুন। তাহলে তিনি খাবারের পরিমাপ, রান্না পদ্ধতি ঠিক মত বুঝে নিতে পারবেন।

৫.ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যসম্মত রান্নার পদ্ধতি ও রেসেপি সংগ্রহ করতে থাকুন। বড় লাইব্রেরীগুলোতে রান্না বিষয়ক বইয়ের ভাল সংগ্রহ আছে।এছাড়া ইন্টারনেটে হৃদরোগীদের খাবার রান্নার পদ্ধতি ও রেসিপি নিয়ে প্রচুর তথ্য আছে।তবে বাঙালী খাবারের রেসিপি ততটা সমৃদ্ধ না, এক্ষেত্রে মুল রেসেপি থেকে কন্সেপ্ট নিয়ে আমাদের দেশে যে উপকরণ আছে তা দিয়ে রান্না করুন।

৬.রান্নার জন্য low-fat methods ব্যবহার করুন। bake, broil, microwave, roast, steam, poach, lightly stir fry বা sauté- এ পদ্ধতি গুলো অনুসরন করা উচিৎ।

৭.ধরা যাক , গরুর মাংস রোগীর খুবই পছন্দের খাবার । কিন্তু রোগের কারণে এখন তা খাওয়া নিষেধ। পরিবারের অন্য সদস্যদের তো আর খেতে নিষেধ নাই! এমন অবস্থায় ভারসাম্য আনবেন কিভাবে?এক্ষেত্রে করণীয় হল-আগে যদি সপ্তাহে ১/২ দিন গরুর মাংস রাখা হতো মেনুতে তাহলে তা এখন কমিয়ে মাসে একবার রান্না করুন। মিষ্টি জাতীয় খাবারে রেস্ট্রিকশন থাকলে একই খাবার রোগীর জন্য আলাদা করে রান্না করুন। লবণ রেস্ট্রিকটেড হলে প্রথমে সামান্য লবণ দিয়ে তরকারী রান্না করে রোগীর জন্য পরিমানমত তুলে রাখুন। এরপর বাকি তরকারীতে স্বাদ মত লবণ দিন। এভাবে ছোট খাট বিষয় গুলোতে যদি ভারসাম্য আনা যায় তবে রোগী নিজের রোগ নিয়ে বিষন্ন হবেন না।পরিবারের সদস্যদেরও তেমন কোন অসুবিধা হবে না।

৮.রোগীর পাশাপাশি কম তেলে রান্না করা খাবার খাওয়ার অভ্যাস সবার গড়ে তুলতে হবে। হদৃরোগের কারণে রোগী ও তার পরিবারের সকলের জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আসবেই। এটাকে পজিটিভ ভাবে গ্রহণ করুন।রোগীকে মানসিক ভাবে চাঙ্গা রাখুন।পরিবারের সার্পোট থাকলে কঠিন রাস্তাও সহজে পার করা সম্ভব।

নাক ডাকার সমস্যা সমাধান

নাক ডাকার সমস্যা সমাধান 


হাসান সাহেবের পরিবারে বড়ই অশান্তি, তিনি ঘুমের সময় নাক ডাকেন। রিফাত ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্র, তার সমস্যা সেও নাক ডাকে। রিফাত বা আহসান সাহেব দুজনের একই সমস্যা, একই বিড়ম্বনা। সঙ্গিনীর ভ্রূকুটি, বন্ধুদের উপহাস এসব নিয়ে দুজনেই খুব পেরেশান। নাক ডাকার কারণ ও তার প্রতিকার নিয়ে হয়েছে বহু গবেষণা, এখনো চলছে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে। সব নিয়েই আজ জানবো আমরা। হালকা নাক ডাকা অনেকেরই স্বভাব, এটা সাধারনত খারাপ কিছু নয় কিন্তু কিছু কারণ রয়েছে যেগুলো চিকিৎসা দাবী করে: জিহ্বা ও আল জিহ্বায় গাঠনিক সমস্যা হলে স্থুল ব্যক্তিদের শ্বাসনালীতে মেদ জমে রাস্তা সরু হলে ধূমপান বা মদ পানের মাত্রা না থাকলে ঘুমের সময় চিত হয়ে ঘুমালে জিহবা ও আল জিহ্বা পেছন দিকে ঝুলে পড়ে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করলে গলার দুপাশের টনসিল বড় হয়ে গেলে নাকের ভেতরের দিকে এডেনয়েড বা পলিপ জাতীয় সমস্যার কারনে নিচের চোয়ালের গাঠনিক সমস্যা থাকলে ঠাণ্ডা লেগে নাক বন্ধ থাকলে ঘুমের পিল খেয়ে শ্বাসের মাংসপেশি দুর্বল করে ফেললে হরমোনাল সমস্যা যেমন Acromegaly-Gigantism ইত্যাদি সমস্যার কারনে মানুষ নাক ডেকে থাকে। নাক ডাকার কারণ জানা হল, এবার জানবো এর ক্ষতিকারক প্রভাব সম্পর্কেঃ নাসিকা গর্জনের কারনে হতে পারে একটি মারাত্নক সমস্যা যার নাম 'Obstructive sleep apnoea' বা ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাসবদ্ধতা। এ রোগে রোগী নাক ডাকবেন খুব জোরে, ঘুমের মাঝে বেশ কয়েকবার শ্বাস বন্ধ হয়ে ঘুম ভেঙে যাবে, রোগী দিনের বেলাতে থাকবেন অত্যধিক ক্লান্ত, মনে হবে যেন এখনই ঘুমিয়ে পড়বেন যেকোনো মুহূর্তে। বাসার মানুষের ঘুমে ব্যাঘাত, সঙ্গিনী বা সঙ্গীর বিরক্তি উৎপাদন করা, কাজের সময় অতিরিক্ত দুর্বলতা ইত্যাদি সমস্যা কিন্তু নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়। চিৎ হয়ে ঘুমানোর থেকে পাশ ফিরে ঘুমালে নাক কম ডাকবেন, কমাতে হবে ওজন, রাতের খাওয়া হবে মাঝারি।চেষ্টা করবেন প্রতিদিন যেন একই সময়ে বিছানায় যেতে পারেন। ঘুমের ওষুধ ও এলার্জির ওষুধ আপনার ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করবেন না, মাথার নিচে দিতে পারেন দুটা বালিশ। পাশ ফিরে ঘুমাতে না পারলে পাজামার পেছনের পকেটে দিয়ে দিন একটা টেনিস বল, দেখবেন বলের কারণে ঘুমন্ত অবস্থাতেও আপনি পাশ ফিরে ঘুমাতে বাধ্য হচ্ছেন। নাক বন্ধ থাকে অনেকের ঠাণ্ডা সর্দিতে, চেষ্টা করবেন নাক যেন বন্ধ না থাকে।সিগারেটের অভ্যাস বাদ দিন।গান ভালো লাগলে গান বা আবৃত্তি চর্চা করুন।সঙ্গী/সঙ্গিনীকে বলুন নাক ডাকলে পাশ ফিরিয়ে দিতে বা নাক ডাকছেন সেটা জানাতে, এটা বেশ ভালো কাজে দেয়। ব্যবহার করা যায় C-PAP' নামক ডিভাইস যা ঘুমের মাঝে শ্বাসনালীতে নিরবিচ্ছিন্ন বায়ু প্রবাহ নিশ্চিত করে, রয়েছে নাকের বাঁকা দেওয়াল সোজা করার সার্জারি। সম্প্রতি জাপানের বিজ্ঞানীরা উদ্ভাবন করেছেন এক বিশেষ ধরনের বালিশ যা আপনি নাক ডাকলেই আপনার মাথা দুপাশে নাড়িয়ে দেবে। নাসিকা গর্জন আমরা কেউই পছন্দ করি না। আমাদের আজকের প্রচেস্টা ছিলো আপনাদেরকে কিছুটা হলেও এর থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করা। কারো উপকারে আসলেই আমাদের এই প্রচেস্টা সার্থক। সকলের ঘুম হোক নির্বিঘ্ন ও প্রশান্তির।

হৃদপিন্ডের জন্য কিছু ডায়েট টিপস

সুস্থ্য হৃদপিন্ডের জন্য কিছু ডায়েট টিপস

আজকের দিনে সুস্থ্য হৃদপিন্ড একটি মূল্যবান সম্পদ। আমাদের দেশের প্রায় সব খাবারেই ভেজাল মেশানো হয় , সাথে আছে প্রিজারভেটিবস এর ধাক্কা।এর উপর দৈনিক খাদ্যাভ্যাশটাও যদি অস্বাস্থ্যকর হয় তবে তো আর কথাই নেই।একগাদা রোগে মালিক হয়ে যাবেন অচিরেই। তাই সময় থাকতেই যত্ন নিন হৃদয়ের।

যে খাবার গুলো হৃদপিন্ডকে সুস্থ্য রাখে:

১.Omega-3 fatty acids দেহের জন্য খুব উপকারী। এটা পাওয়া যায় corn, safflower, sunflower ও canola oil ,Almonds,Flaxseed, আখরোট, মাছের তেলে ।

২.Olive, canola oil, চীনা বাদম থেকে পাওয়া যায় monounsaturated fats। যা দেহের জন্য ভাল এবং শরীর সহজেই এটা ভাঙ্গতে ও ব্যবহার করতে পারে।

৩.তাজা ফল ও শাক সবজি দৈনিক খাবার তালিকায় রাখতে হবে। এগুলো থেকে খাদ্য আশঁ পাওয়া যায় যা কোলেস্টেরল কমাতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী।

৪.সকালের নাস্তায় উচ্চ আশঁযুক্ত খাবার রাখুন।যেমন- লাল আটার রুটি বা ওট মিল ।

৫.মাঝে মাঝে সকালের নাস্তায় ভিন্ন ধরনের কিছু ট্রাই করতে পারেন। যেমন- লাল চাল, barley, whole-wheat pasta ইত্যাদি।এতে স্বাদে ভিন্নতা আসবে, সেই সাথে আশঁও পাওয়া যাবে বেশি পরিমানে।

৬.প্রতিদিন ১ চামচ Flax seed খাওয়া উচিৎ। Flaxseed মোটা গুড়া করে সালাদের উপর ছিটিয়ে দিন বা সকালে কোন সিরিয়াল খেলে তাতে মিশিয়ে খেতে পারেন।

৭.snack হিসেবে খেতে পারেন তাজা যেকোন ফল বা কাচা সবজি যেমন-শশা, গাজর ইত্যাদি বা ১ মুঠ বাদাম বা whole-grain crackers।

৮.খাবারে বিভিন্ন ধরনের ডাল যোগ করুন।

৯.সীম, মটরশুটি,বরবটি,kidney beans(রাজমা) খেতে পারেন বিভিন্ন ভাবে যেমন-সালাদ বা সুপে দিতে পারেন।

১০.লাল মাংস এড়িয়ে চলুন ।ফার্মের মুরগীতে বেশ ভালো পরিমান চর্বি থাকে,তাই সম্ভব হলে ফার্মের মুরগী এড়িয়ে চলুন অথবা চর্বি ভালভাবে ছাড়িয়ে নিন।

১১. খাবারে বিভিন্ন রকমের মাছ (চিংড়ি ও অন্যান্য সেল ফিস বাদে) রাখুন। একটু সচেতন ভাবে খাবার নির্বাচন করলেই আমরা একটি সুস্থ্য হৃদপিন্ডের অধিকারী হতে পারবো।

মুখ ও দাঁতের যত্ন নেবেন কিভাবে

মুখ ও দাঁতের যত্ন নেবেন কিভাবে

সুস্থ সবল দেহের জন্য দাঁত ও মাড়ি তথা মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখা একান- প্রয়োজন। দাঁত ও মুখের ভেতরের স্বাস্থ্যকে অবহেলা করে নিরোগ জীবন আশা করা যায় না।
মুখ ও দাঁতের যত্নে করণীয় উপদেশ, সবার জন্য সাধারণ উপদেশ:

 প্রতিদিন সকালে এবং রাতে ঘুমাবার আগে টুথপেস্ট ও ব্রাশ দিয়ে ওপরের দাঁত ওপর থেকে নিচে এবং নিচের দাঁত নিচ থেকে ওপরের দিকে এবং দাঁতের ভেতর দিকেও মাজবেন।

ফ্লুরাইড দেয় যে কোনো টুথপেস্ট দাঁতের জন্য উপকারী। দু-তিন মাস অন-র টুথপেস্ট ও ব্রান্ড বদলাবেন, কারণ বিভিন্ন পেস্টে বিভিন্ন ধরনের উপাদান থাকে।

 যেসব জায়গা ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করা সম্ভব নয় সেসব জায়গায় ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করবেন।

কয়লা, গুল, টুথ পাউডার, ছাই, মাটি, গাছের ডাল ইত্যাদি ব্যবহার নিষেধ।

 অত্যধিক পান-সুপারি খাবেন না- এতে দাঁত ক্ষয় হয়ে যায়।

বিড়ি-সিগারেট খাবেন না- এতে মুখ ও দাঁতের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

বিশেষ বিশেষ খাদ্য যেমন-পাউরুটি, বিস্কুট, কেক, টফি লজেন্স, আইসক্রিম ইত্যাদি খাওয়ার পর উত্তমরূপে দাঁত পরিষ্কার করবেন।

ঘুমানোর আগে এবং খাবারের মাঝে কখনো বিস্কুট, কেক, টফি লজেন্স খাবেন না, আর খেলেও ভালো করে দাঁত পরিষ্কার করে ফেলবেন।

 হাঁ করে ঘুমানোর অভ্যাস হলে তা পরিহার করবেন, কারণ হাঁ করে ঘুমানোর ফলে মুখে ও দাঁতের রোগ বেড়ে যায়।

মা ও শিশুদের জন্য উপদেশ:
০ মায়ের দুধ শিশুদের শরীর ও দাঁতের আদর্শ খাদ্য। যেসব মা শিশুদেরকে ফিডার দিয়ে দুধপান করান, তারা একই নিপল দীর্ঘদিন ব্যবহার করবেন না। ঘুমের মধ্যে শিশুদেরকে কোনোক্রমেই ফিডার দেবেন না; দিলে দাঁতের মারাত্মক ক্ষতি হবে। দেড় থেকে দুই বছরের শিশুদেরকে ফিডার ছাড়িয়ে পেয়ালায় দুধপান করার অভ্যাস করান।

 সময়মতো আপনার ছেলে-মেয়েদের দুধের দাঁত ফেলে দেবেন। নচেত স্থায়ী দাঁত বাঁকা-ত্যাড়া হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

শিশু-কিশোর-কিশোরী যদি কোনো কারণে আঙুল চোষার অভ্যস্থ হয় সে ক্ষেত্রে ওই অভ্যাস রোধ করতে হবে। অপরাগতায় ডেন্টাল সার্জনের পরামর্শ নিন। নতুবা দাঁত আঁকা-বাঁকা, উঁচু নিচু ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। এ ছাড়া মুখের ও চোয়ালের স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত ও বেমানান হতে পারে এবং মুখশ্রীর গঠন ব্যাহত হতে পারে।

 আঁশালো ও শক্ত খাদ্য যেমন-গাজর, পেঁয়ারা, আমড়া, আখ, আনারস, নাশপাতি, আপেল, নারকেল ইত্যাদি দাঁত ও মাঢ়ি সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। উপরন- চোয়ালের স্বাভাবিক গঠনে সহায়তা করে।

 লেবু, আমলকী, কমলা, টমেটো ও বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অন্যান্য ভিটামিন থাকে। ভিটামিন সি দাঁতের ও মাড়ির জন্য উপকারী।

গর্ভকালীন মায়েরা টেট্রাসাইক্লিন জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না। কারণ এটি শিশুর দাঁতের মারাত্মক ক্ষতি করে। শিশু জন্মানোর পরেও শিশুকে ওই জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক ১২ বছর পর্যন্ত দেবেন না। কারণ এতে স্থায়ী দাঁতের ক্ষতি হবে।

প্রতিরোধ: দাঁত নষ্ট হয় শুধু আমাদের বদ অভ্যাস এবং অনিয়মিত দাঁত পরিষ্কার করার কারণে। তবে এ কথা সত্য যে, সবারই রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা সমান থাকে না। যারা নিয়মিত দাঁতের যত্ন করেন ও দাঁত নিয়মিত পরীক্ষা করান তারাই ভাগ্যবান। বছরে অন্তত: দু’বার একজন অভিজ্ঞ ডেন্টাল সার্জনের কাছে মুখ ও দাঁত পরীক্ষা করানো ভালো। কারণ দন্তক্ষয় বা ডেন্টাল ক্যারিজ প্রাথমিক অবস্থায় নির্ণয় করা গেলে চিকিৎসা (ফিলিং) করিয়ে দীর্ঘদিন দাঁতটি বাঁচানো সম্ভব। তেমনি মাঢ়ির রোগ (দাঁতের গোড়া দিয়ে রক্ত পড়া) ও প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে স্কেলিং করালে দাঁত নড়ে না বা ফেলে দিতে হয় না। যাদের দাঁত ইতোমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে তাদের মনে রাখা উচিত দেহের কোনো অংশের যত্ন নেয়ার দরকার বা প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় না। অস্বাভাবিক দাঁতকে যে ভাবেই হোক চিকিৎসা করিয়ে টিকিয়ে রাখাই শ্রেয়। আজকাল চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে দন-চিকিৎসার প্রয়োগ ও প্রসার অনেক গুণে বেড়ে গেছে। তাই একটি মূল্যবান দাঁতকে ফেলে দেয়ার আগে একটু ভেবে দেখা দরকার নয় কি?