This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, December 22, 2016

ব্রন থেকে মুত্তি উপায়

 পরিচ্ছন্ন একটি মুখ আমরা সবাই চাই। কিন্তু চাওয়া আর পাওয়া সব সময় এক হয় না। মাঝে মাঝে এর ব্যত্তয় ঘটে। যা আমাদের পক্ষে মেনে নেয়া কষ্টের ব্যপার বটে। সাধারণত টিনেজরাই ব্রণের সমস্যায় বেশি ভো। 
গবেষণায় দেখা গেছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্রণ বংশগত। একে অনেকেই pimple, zit বা spot বলে থাকে। বাজারে ব্রণ দূর করার জন্য নানারকম ঔষধ পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার করার আগে আসুন কিছু ঘরোয়া অনুসরন করি।

 ১. বরফ ব্যাবহারঃ মুখে উপর বরফ ঘষুন ১০ মিনিটের মত । এতে ব্রন কম বের হবে এবং ইতিমধ্যে যদি ব্রন বেরিয়েও থাকে, কমে যাবে ।

 ২. টুথপেস্ট ব্যবহারঃ ব্রনের উপর সামান্য করে টুথপেস্ট লাগিয়ে রাখুন সারারাত । সকালে ধুয়ে ফেলুন । এতে ব্রন আকারে কমে যাবে । এবং শুকিয়েও যাবে । 

৩. রসুন ব্যবহারঃ ব্রনের উপরে এবং চারপাশে কাচা রসুন ঘষে দিন । এতে খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে এবং দাগ ও অনেক কমে যাবে । 

৪. কমলার খোসা ব্যবহারঃ কমলার খোসা বেটে পেস্ট তৈরি করে মুখে মাখুন । ব্রন কমে যাবে । 

৫. মধু ব্যবহারঃ ব্রন ওঠার সাথে সাথে এর উপরে মধু লাগিয়ে দিন । এটা আর বাড়তে পারবে না । 

৬. কাগজি লেবু ব্যবহারঃ ঘুমানোর আগে মুখে কাগজি লেবুর রস মাখুন এবং সকালে ধুয়ে ফেলুন । মুখ ব্রন মুক্ত থাকবে । 

৭. ভিনেগার ব্যবহারঃ সামান্য পানি এবং ভিনেগার প্রথমে গরম করুন একসাথে । তারপর ঠাণ্ডা করে এই মিশ্রন মুখে ব্যবহার করুন । ৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন ।

৮. আলু ব্যবহারঃ আলু স্লাইস করে কেটে ব্রনের উপর ঘষুন ৫-৭ মিনিট । ব্রনের আকার অনেক কমে যাবে । 

৯. শশা ব্যবহারঃ শশা থেতো করে সামান্য লেবুর রস একসাথে করে মিশিয়ে নিন এবং মুখে লাগান । আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন । ব্রন হবে না । থাক্লেও অনেক কমে যাবে । 

১০. মুখের পরিচ্ছন্নতাঃ ভাল ফেস ওয়াশ দিয়ে দিনে অন্তত ২ বার মুখ ভাল করে পরিস্কার করবেন । মুখে কখনই সাবান ব্যবহার করবেন না । নোংরা কাজ করার পর এবং প্রতিবার বাইরে থেকে এসে ভাল করে মুখ ধোবেন । 

১১. চোখের ড্রপ ব্যবহারঃ খুবই কার্যকরী পদ্ধতি । ব্রনের উপর ১ ফোটা করে ইউজ করলেই অনেক কমে যাবে ।

Saturday, December 17, 2016

পা ঘামান সমস্যা সমাধান

অতিরিক্ত পা ঘামার সমস্যা? চটজলদি জেনে নিন কার্যকরী সমাধান 

অতিরিক্ত পা ঘামা অনেক বিরক্তিকর একটি সমস্যা, বিশেষ করে এই গরমে। মানসিক চাপ, জীবনযাপনের পরিবর্তন, অপরিষ্কার পা ইত্যাদি সমস্যার কারণে পা অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার সমস্যা শুরু হয়। আর ঘেমে যাওয়া পায়ে খুব দ্রুত ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে শুরু করে যার ফলে বিশ্রী দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয় যা অনেক বেশিই বিব্রতকর। এই বিব্রতকর এবং যন্ত্রণাদায়ক সমস্যার খুব সহজ কিছু সমাধান রয়েছে। চলুন জেনে নেয়া যাক। 

১) বেকিং সোডার ব্যবহার 
বেকিং সোডার অ্যাসিডিক উপাদান পা পরিষ্কার রাখতে এবং পায়ে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি বন্ধে সহায়তা করে। এতে করে পা অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া এবং বিশ্রী দুর্গন্ধ হওয়া প্রতিরোধ করে। পা খুব ভালো করে পরিষ্কার করে, হাতে কিছু বেকিং সোডা নিয়ে পায়ে ঘষে নিন ভালো করে। এতে করে অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়া বন্ধ হবে। চাইলে বন্ধ জুতোর ভেতরেও ছিটিয়ে নিতে পারেন খানিকটা বেকিং সোডা, এতেও অনেক উপকার পাবেন। 

২) লবণ পানির ব্যবহার 
লবণ পানি পায়ের ফাঙ্গাস আক্রমণ প্রতিহত করে। নিয়মিত লবণ পানির ব্যবহারে পা অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার সমস্যা একেবারেই কমে আসে। প্রতিদিন বাসায় ফিরে কুসুম গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে এতে পা ডুবিয়ে রাখুন ১৫-২০ মিনিট। পা ঘামার সমস্যা দূর হবে, সেইসাথে পায়ে ছত্রাকের আক্রমণ থেকেও রেহাই পাবেন ও সারাদিনের ক্লান্তি অনেকটা কাটিয়ে উঠতেও পারবেন। 

জেনে রাখুন গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস 

– পা সবসময় পরিষ্কার রাখুন। অপরিষ্কার পা বেশি ঘামে। 

– বাইরে থেকে এসেই পা ধুয়ে ফেলুন। এক্ষেত্রে হ্যান্ড ওয়াশ বা শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন। পা ধোয়ার পর ভালো করে পা মুছে ফেলবেন। 

– মোজা পড়ার অভ্যাস থাকলে প্রতিদিন ধুয়ে ও ভালো করে শুকিয়ে মোজা পরুন। এবং অবশ্যই সুতি, নরম আঁশের ঢিলেঢালা মোজা পরবেন। 

– নিয়মিত জুতো পরিষ্কার রাখুন। জুতোর ভেতরে বেকিং সোডা বা কর্ণফ্লাওয়ার ছিটিয়ে রাখবেন। 

মুখের তেলতেলে ভাব দূর করার উপায়

মুখ সারাদিন তেলতেলে হয়ে থাকা নারী-পুরুষ অনেকের জন্যই একটি মারাত্মক বিব্রতকর সমস্যা। তৈলাক্ত ত্বক দেখতে তো খারাপ লাগেই, আপনাকে দেখায় অনেক কালো, রোদে পোড়া দাগ বেশী বোঝা যায় এবং প্রচুর ব্রন ওঠে। সব মিলিয়ে সকলের সামনে সৌন্দর্যের অবস্থা শোচনীয়। দামী ফেসওয়াশও কমাতে পারছে না ত্বকের তেলতেলে ভাব? তাহলে দিনের শুরুতে করুন ২ মিনিটের একটি ছোট্ট কাজ। আর সারাদিন দেখুন ম্যাজিক। একটুও তেলতেলে হবে না আপনার ত্বক, ব্রনও থাকবে দূরে। 

যা লাগবে 
>উষ্ণ পানি 
>ফেসওয়াশ            For Here All-quran Bangla
>লবণ 

কী করবেন? 
>দিনের শুরুতেই মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। রাতে যদি ডিপ ক্লিন করে থাকেন ত্বক, তাহলে সকালে পরিষ্কার করুন সাধারণ ফেসওয়াশ দিয়ে। 

>মুখে উষ্ণ পানির ঝাপটা দিন। তারপর ফেসওয়াশ লাগান। ম্যাসাজ করে ধুয়ে তারপর সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। মুখে যেন সাবান লেগে না থাকে। 

>এবার ১ মগ হালকা উষ্ণ পানির সাথে ১ চামচ লবণ ও লেবুর রস মিশিয়ে নিন। 

>এই পানি দিয়ে মুখে ধুয়ে ফেলুন ভালো করে পানির ঝাপটা দিয়ে। 

>চোখ বন্ধ রাখবেন, নাহলে চোখ জ্বলতে পারে। 

>লবণ পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে মুখ ভালো করে মুছে নিন। যদি চিটচিটে ভাব বেশী মনে হয়, বা অস্বস্তি লাগে, তাহলে মিনিট দশেক পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে মুছে নিন। 

>মনে রাখবেন , তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সাধারণ পানির বদলে ফিল্টার করা পানি বা ফুটানো পানি ব্যবহার করাই ভালো। 

টিপস 

>তৈলাক্ত ত্বকে খুব বেশী প্রসাধনী ব্যবহার না করাই ভালো, এতে ব্রণের সমস্যা বাড়ে। 

>ওয়েট টিস্যু ব্যবহার করবেন না তৈলাক্ত ত্বকে, এতে ত্বকের ক্ষতি হয়। 

>তৈলাক্ত ত্বকে স্ক্রাবার ব্যবহার করবেন না। 
>দিনের যে কোন সময় ত্বক তৈলাক্ত মনে হয়ে টিস্যু বা রুমাল পানিতে ভিজিয়ে সেটা দিয়ে মুখে মুছে নিন। সুযোগ পেলে বরং ঘষে নিন। ত্বকের বাড়তি তেল নিয়ন্ত্রণে থাকবে। 

Saturday, December 10, 2016

চুল গজাবার কাযকরী উপায়

আজকাল চুল পড়ে যাওয়া, চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যা কমবেশি সকলেরই আছে। এত কিছু করেন, তবু যেন চুলগুলোকে রক্ষা করা যায় না। আর ফলাফল হচ্ছে অকালে চুল পড়ে টেকো হয়ে যাওয়া। আপনার সাধের চুলগুলোকে কীভাবে বাঁচাবেন? কীভাবে মাথায় নতুন চুল গজাবেন? সমাধান আছে হাতের নাগালেই। আপনার মাথায় চুল গজাতে সাহায্য করবে একটি সাধারণ ও অল্প মূল্যের তেল। শুধু চুল নয়, চোখের পাপড়ি আর ভ্রু ঘন করতেও এই তেল দারুণ কার্যকরী! হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন। আমরা বলছি ক্যাস্টর অয়েলের কথা। ক্যাস্টর অয়েল কোন অপরিচিত জিনিস নয়, বরং অনেকেই চেনেন। কিন্তু এটা জানেন না যে নতুন চুল গজাতে এই তেল দারুণ উপকারী। ক্যাস্টর অয়েলে আছে রিসিনোলেইক এসিড যা নতুন চুল, ভ্রু, চোখের পাপড়ি গজাতে অত্যন্ত সহায়ক। এছাড়াও চুলের রুক্ষ্মতা দূর করে চুলকে মোলায়েম করে তুলতে সহায়তা করে এই তেল। 

কীভাবে ব্যবহার করবেন? ক্যাস্টর অয়েল একটানা ব্যবহার করলে হবে না, করতে হবে নিয়ম মেনে। সপ্তাহে একদিন করে টানা ৮ সপ্তাহ ব্যবহার করুন এই তেল। ক্যাস্টর অয়েল মধুর মত ঘন, প্রথম প্রথম একটু অসুবিধা হতেই পারে। ব্যবহার করার পদ্ধতি বেশ সোজা। ক্যাস্টর অয়েল নিন, এতে যোগ করতে পারেন একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের ভেতরকার তরল। চুল লম্বা হলে একাধিক ক্যাপসুল দিন। এরপর এত তেল রাতে ঘুমাবার আগে ভালো করে মাথায় মাখুন। বিশেষ করে চুলের গোঁড়ার ত্বকে ম্যাসাজ করে লাগান। সারারাত এই তেল চুলে থাকতে দিন। সকালে শ্যাম্পু করে ফেলুন। কোন বাড়তি কন্ডিশনার লাগবে না। 

কোথায় পাবেন, কেমন দাম? যে কোন ফার্মেসীতে ও সুপারশপে ক্যাস্টর অয়েল পাবেন আপনি। দেশি-বিদেশি দুই রকমই পাওয়া যায়। দেশি তেলগুলো দামে বেশ সস্তা। মোটামুটি ১০০ টাকার কমে আপনি এক বোতল পাবেন যা ব্যবহার করতে পারবেন ১ মাস! বিদেশি গুলোর দাম একটু বেশি। মানও একটু ভালো। তাহলে আর দেরি কেন, চুলের জন্য বাড়তি চর্চা শুরু করে যাক আজই। পাতলা হয়ে যাওয়া চুলগুলো আবার হয়ে উঠুক ঘন। (যাদের বংশগত কারণে বা কোন অসুখের জন্য টাক পড়ছে, তাঁদের ক্ষেত্রে আসলে কোন চিকিৎসাই কাজে দেবে না। প্রয়োজন আগে অসুখের চিকিৎসা। যাদের চুল পড়ছে স্ট্রেস, যত্নের অভাব, ভুল প্রসাধন ইত্যাদি কারণে, তাঁদের ক্যাস্টর অয়েল খুব ভালো কাজে দেবে।

Tuesday, December 6, 2016

আপনি কি লম্বা হতে চান ?

লম্বা হতে চান ?


ছেলে বা মেয়ে সবার লম্বা  হতে চাই ।যারা বেশ ভালই লম্বা তাদেরও মনে হয় আরও ১-২ ইঞ্চি লম্বা হতে পারলে বেশ ভাল মানাত!আসলে আপনি কতটুকু লম্বা হবেন তা আপনার বংশগতি থেকেই নির্ধারিত হয়।

তবে একথাও ঠিক আপনার পূর্বপুরুষেরা লম্বা হলেও আপনি যদি অপুষ্টিতে ভোগেন তবে আপনার বৃদ্ধি ঠিকমত হবে না।আর মানুষের দেহের বৃদ্ধি ঘটে ২৫ বছর বয়স পর্যন্তই।তাই কিশোরকাল থেকেই এ ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে।তিনটি জিনিসের সমন্বয় লম্বা হতে সাহায্য করবে-
১.পুষ্টিকর খাবার
২.নিয়মিত ব্যয়াম
৩.পর্যাপ্ত বিশ্রামকি কি থাকতে হবে খাবার তালিকায়:

কি কি থাকতে হবে খাবার তালিকায়:

*মিনারেলস:
পর্যাপ্ত পরিমান বিভিন্ন রকমের মিনারেল আমাদের খাবার তালিকায় রাখতে হবে।আমাদের দেহে প্রতিটি কাজে মিনারেলের ভূমিকা রয়েছে ।হাড়ের গঠন ও বৃদ্ধিতে মিনারেল একান্ত প্রয়োজনীয় উপাদান।বিষেশভাবে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস যেন পরিমান মত গ্রহন করা হয় তা লক্ষ্য রাখতে হবে। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ছোট মাছ,খেজুর,বাধাকপি,ফুলকপি, ব্রোকলি,পালং শাক, পুই শাক ইত্যাদিতে ভাল পরিমান ক্যালসিয়াসম আছে।দুগ্ধজাত খাবার,মাছ, মাংস, এমনকি সবজিতেও ফসফরাস আছে।আয়রন পাওয়া যায় খেজুর, ডিমের কুসম,কলিজা,পরুর মাংসে।ম্যাগনেসিয়াম আছে আপেল, জাম্বুরা, ডুমুর,লেবু ইত্যাদিতে।জিন্ক পাওয়া যায় ডিম, সূর্যমূখীর বীচিতে।

*ভিটামিন :
আমাদের প্রয়োজনীয় সব রকমের ভিটামিনই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল থেকে পাওয়া যায়।কিন্তু খাবারের ভিটামিন দেহে কতটুকু গৃহিত হচ্ছে তা বোঝা বেশ কঠিন। তাই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।Vitamin B-1 আছে চীনা বাদাম,লাল চাল,গমে। Vitamin B-2 আছে মাছ, ডিম, দুধে। Vitamin B-6 রয়েছে বাধাকপি, কলিজা, গরুর মাংসে।Vitamin D পাওয়া যায় মাছের তেল, দুগ্ধজাত খবার থেকে।Vitamin E আছে ডিম, সয়াবিন, গমে। Vitamin A আছে ডিমের কুসুম, গাজর,দুধ ,কলিজায়।

*প্রোটিন:
হাড়ের বৃদ্ধির সাথে সাথে মাংস পেশীরও বৃদ্ধি পেতে হবে লম্বা হওয়ার জন্য।আর মাংস পেশির বৃদ্ধি ও মজবুত হওয়ার জন্য প্রয়োজন প্রোটিন।খাবার তালিকায় ভাল মানের প্রোটিন যেমন- মাছ, মাংস, ডিম রাখুন।বিভিন্ন রকমের ডাল,মটরশুটি, সীমের বীচি, কাঠালের বীচি ইত্যাদি থেকেও প্রোটিন পাওয়া যায়।খাবার তালিকায় সয়া প্রোটিন,বিভিন্ন রকমের প্রোটিন সেইক যোগ করতে পারেন।

*কার্বোহাইড্রেট:
অনেকেই লম্বা হওয়ার জন্য কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাবার বেশী পরিমানে গ্রহন করে থাকেন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, বেশী পরিমান কার্বোহাইড্রেট লম্বা হওয়াকে বাধাগ্রস্থ করে।কারণ বেশী পরিমান কার্বোহাইড্রেট গ্রহন মানে রক্তে বেশী পরিমান গ্লুকোজ।এর ফলে ইনসুলিন নামক হরমোনও নিঃসৃত হবে বেশী।এবং ইনসুলিন দেহের গ্রোথ হরমনের কার্যকারীতা কমিয়ে দেয়।তাই খাবার তালিকায় লাল আটা, লাল চাল, ওট ইত্যাদি রাখুন ময়দা, সাদা আটা, পলিশ চালের পরিবর্তে।
* পানি:

পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করতে হবে , প্রায় ১.৫ থেকে ২ লিটার দৈনিক।

যেসব কারণে লম্বা হওয়া বাধা পায়:

১.ঘুমের অভাব- দৈনিক ৮ ঘন্টা ঘুমের অভ্যাস তৈরী করুন।

২.খেলা-ধূলা না করা-বাস্কেট বল,ভলি বল খেলার অভ্যাস গড়ে তুলুনঅ কিছু stretching exercises ও করতে হবে। যারা নতুন শুরু করছেন তারা প‌্রথমে অল্প কিছু stretch ups, এর পর দড়ি লাফ, এর পর অন্যান্য ব্যায়াম শুরু করুন।

৩.অপুষ্টি- পুষ্টিকর ও সুষম খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৪.posture ঠিক না থাকা - এ ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপিষ্টের সাহায্য নিতে হবে। ত্যাগ করতে হবে: মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। কারণ এগুলো দেহের হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট করে।

ঘরে বসে চুল সিল্কি করুন

চুল সিল্কি করুন


সেই আদিকাল থেকেই রূপচর্চার অন্যতম উপাদান হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছেবেসন ত্বক ফর্সা টানটান করতে, রোদে পোড়া দাগ দূর করতে এমন কি ব্রণের কালোদাগ দূর করতে বেসনের প্যাক ব্যবহার করা হয় বেসন যে শুধু ত্বকের যত্নে ব্যবহার হয় তা কিন্তু নয়, চুলকে ঝলমলে লম্বা করতেও বেসনের জুড়ি নেই কি, খুব অবাক হচ্ছেন? বেসন কী করে চুল লম্বা, সিল্কি করবে? চুলকে সিল্কি আকর্ষণীয় করতেও বেসন ব্যবহার হয়ে আসছে সেই প্রাচীন কাল থেকেই আসুন জেনে নেয়া যাক বেসনের সহজ় টি প্যাক যা চুলকে সিল্কি করার পাশাপাশি চুলের দৈর্ঘ্যও বাড়াতে সাহায্য করবে 

চুলের দৈর্ঘ্য বাড়াতে 
চা চামচ বেসন 
চা চামচ আমন্ড অয়েল 
চা চামচ টক দই 
চা চামচ অলিভ অয়েল 
সবগুলো উপাদান একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। প্যাকটি চুলের গোড়ায় ভালো মতো লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে থেকে বার প্যাকটি ব্যবহার করুন। আর চুল যদি বেশি শুষ্ক এবং ড্যামেজ হয়ে থাকে তাহলে এর সাথে ভিটামিন ক্যাপসুল যোগ করতে পারেন। এই প্যাকটি আপনার চুলের দৈর্ঘ্য বাড়াতে সাহায্য করবে। 

চুলকে সিল্কি শাইনি করতে 
টি ডিমের সাদা অংশ 
টেবিল চাচামচ বেসন 
চা চামচ টকদই 
/ চাচামচ লেবুর রস 
এই সবগুলো উপাদান দিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এরপর চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন।এই হেয়ার প্যাকটি নিয়মিত করাতে চুল হয়ে উঠবে সিল্কি,সাইনি স্বাস্থ্যজ্জল সুন্দর  

খুশকি দূর করতে 
টেবিল চা চামচ বেসন 
টেবিল চা চামচ টক দই 
চাচামচ লেবুর রস 
বেসন,টক দই এবং লেবুর রস খুব ভালভাবে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।এই প্যাকটি চুলের গোঁড়ায় ভালভাবে লাগিয়ে ৩০-৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। এই প্যাকটি আপনার খুশকি দূর করার পাশাপাশি চুলের গোড়াঁ মজুবুত করবে। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে বার ব্যবহার করুন 


চুল পরা রোধ করার উপায়

চুল পরা রোধ 


সাধারন ভাবেই আমরা প্রতিদিন কিছু চুল হারাই কিন্তু এই চুল পড়ার হার যদি স্বাভাবিক এর চেয়ে বেশি হয় এবং দীর্ঘ দিন ধরে চলতে থাকে, তাহলে আমাদের বিশেষ কিছু ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে চুল পড়ার এই ব্যপারটা আমাদের হাতের নাগালের বইরে চলে না যায় এই ব্যবস্থা গুল নিয়েই আজকে আমাদের আলোচনা 
অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমাদের শরিরে আয়রন এর অভাবে আমাদের চুল পড়ে যায়। আয়রন এর অভাবে আমাদের দেহে লহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা কমে যায়, যা আমাদের চুলের গোঁড়ার (হেয়ার ফলিকল) জন্য খুবি গুরুত্বপূর্ণ। খুব সহজেই একটি ছোট ডায়াগনস্টিক টেস্ট এর মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে আপনার শরিরে লহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা কম কিনা। যদি তাই হয়, তাহলে প্রচুর পরিমানে লাল শাক, কচুর শাক খেতে হবে। এতেও যদি লহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা না বাড়ে তাহলে আয়রন ভিটামিন সি (শরীরে আয়রন গ্রহনে সহায়তা করে) এর সংমিস্রনে কিছু ট্যাবলেট পাওয়া যায়, তা খেতে হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই পদ্ধতি ভাল কাজে দেয়ওমেগা - থ্রী () ফ্যাটি অ্যাসিড চুল পড়া রোধে খুবি কার্যকর। সাধারনত বিশেষ ধরনের মাছে এই উপাদান টি থাকে। তবে সেই সব মাছ আমাদের দেশে পাওয়া যায় বলে জানা নেই (স্যামন, ম্যাকারেল ইত্যাদি) তবে আমাদের দেশে একটি জিনিশ পাওয়া যায়, তা হল তিশির তেল। এই তিশির তেল প্রচুর পরিমানে ওমেগা - থ্রী () ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়। তবে মনে রাখবেন, এই তিশির তেল কিন্তু মাথায় লাগানোর জন্য নয়। অথবা রান্নায় ব্যাবহার করার জন্য নয়। প্রতিদিন চা চামচ পরিমান তিশির তেল সালাদ এর সাথে মিশিয়ে খেতে হবে। তাহলে আপনার চুল পড়া অনেক কমে আসতে পারে। ওমেগা - থ্রী () ফ্যাটি অ্যাসিড ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল ফর্ম পাওয়া যায়, তবে বাংলাদেশে পাওয়া যায় কিনা নিশ্চিত নই। আপনার নিকতস্থ ফার্মেসি তে যোগাযোগ করে দেখতে পারেন। 
যাদের চুল পড়ে যাচ্ছে, তারা চেষ্টা করবেন চুলে উল্টা পাল্টা কিছু ব্যাবহার না করতে। গাল ভরা বিজ্ঞাপন বিভ্রান্ত হবেন না। তেল, তা যত দামিই হোক, চুল এর পুষ্টি যোগাতে পারে না। হয়ত দেখতে কিছুটা সুন্দর দেখাতে পারে। সব সময় চুলে তেল দিলেও ঘণ্টা রেখে স্যাম্পু করে ফেলবেন। হেয়ার স্টাইল জেল ব্যাবহার না করাই ভাল। 

অনেক সময় বিভিন্ন শারীরিক মানসিক সমস্যার জন্য চুল পড়ে যেতে পারে। যেমন, দুশ্চিন্তা, থাইরয়েড সমস্যা, রক্ত শূন্যতা, হৃদ রোগ ব্যাবহার করা ঔষধ ইত্যাদি। এই সব সমস্যা আপনার আছে কিনা, অথবা থাকলে কি করতে হবে তা আপনি আপনার জেনারেল ফিজিসিয়ান বা ফ্যামিলি ফিজিসিয়ান এর সাথে কথা বলে সেই মত চলবেন। (আপনি চাইলে স্বাস্থ্য বাংলার ফ্রী ফিজিসিয়ান সাপোর্ট নিয়ে আপনার ভেতরের কোন সমস্যার কারনে চুল পরছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিতে পারেন) 

মনে রাখবেন, সবচেয়ে বেশি চুল পড়ার ঘটনা ঘটে থাকে বংশগতির কারনে। তবে যাদের বংশে চুল পড়ার ইতিহাস আছে, তাদের ক্ষেত্রেও চুল পড়ার হার স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে উপরোক্ত পারিপার্শ্বিক অবস্থা সমুহের কারনে